আজকে আলোচনা হবে ছড়ার ধাঁধা নিয়ে। মোট পাঁচটি ছড়ার ধাঁধা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছ। প্রতিটি ছবির নিচেই দেয়া আছে উত্তর। আমরা সরাসরি উত্তর না দেখে চেষ্টা করব নিজেরা উত্তর দেয়ার ও মনে করার।
প্রথম ছড়াটি আমাদের সবার পরিচিত এবং জনপ্রিয় ছোটবেলার একটি ইংরেজি ছড়া। চলুন মনে করে নেই এবং শূন্যস্থানে কী বসতে পারে সেটি আরেকবার মনে করে নেই।

দেখা হয়ে গেলে বুঝতে পারছেন কি শূন্যস্থানে কী বসবে? শূন্যস্থানে বসবে ‘fulll’ । যাঁরা মেলাতে পেরেছেন তাঁদের জানাই অভিনন্দন।
এবার চলে যাওয়া যাক দ্বিতীয় ধাঁধায়। এই ধাঁধাটিও একটি ছড়ার ধাঁধা। আর এটিও আমাদের ছোটবেলায় পড়া একটি ছড়া মামার বাড়ি। লেখছেন পল্লী কবি জসীমউদদীন। চলুন দেখে আসি এবং উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি।

এতিক্ষণে নিশ্চয়ই ধরে ফেলেছেন যে, ঝড়ের দিনে মামার বাড়িতে কী কুড়াতে সুখ। জ্বী অবশ্যই আশা করি ঠিকটাই ধরেছেন। ঝড়ের দিনে মামার বাড়ি ‘আম’ কুড়াতে সুখ। এরপর থেকে আশা করি আমাদের সবসময় ছড়াটি মনে থাকবে।
চলে যাই পরবর্তী ছড়ার ধাঁধায়। ছড়াটির নাম পালকির গান। লিখেছেন ছন্দের জাদুকর সত্যন্দ্রনাথ দত্ত। আমাদের কী মনে আছে পালকি চলে..পালকি চলে…গগল তলে কী জ্বলে??

হ্যাঁ, আমরা জানি গগন তলে আগুন জ্বলে। আপনারা কে কে জানতেন বা ঠিক উত্তর দিতে পেরেছেন আমাদেরকে জানিয়ে দিতে পারেন কমেন্ট করে।
চতুর্থ ধাঁধাটি কবি সুকুমার রায় এর বিখ্যাত আবোল-তাবোল। ছড়া-কবিতার প্রথম চাই লাইনে রয়েছে-
ছুটলে কথা, থামায় কে? … আমায় ঠেকায় কে? একটু ছোট্ট টিপস দেই। কখন প্রশ্নের উত্তর কী কী হতে পারে চিন্তা করলেই উত্তর পেরে যেতে পারেন!

উত্তরটি হচ্ছে ‘আজকে’। অর্থাৎ, আজকে আমায় ঠেকায় কে। যাঁরা যাঁরা সঠিক উত্তর দিতে পেরেছেন, সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
আমরা চলে যাচ্ছি আজকের শেষ ধাঁধায়। বিখ্যাত আতা গাছে তোতা পাখি, ডালিম গাছে মউ ছড়াটি মনে হাকলে বলে ফেলুন তো এত ডাকলেও কে কথা কয় না??

একদম ঠিক। ‘বউ’ কথা কয় না।
আজ এতটুকুই থাক। নিয়মিত ধাঁঢা পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। সুস্থ থাকুন।।

